Description
২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এ দেশ ও দেশবাসীর ওপর চেপে থাকা স্বৈরতান্ত্রিক ও জবাবদিহিহীন শাসনের অবসান ঘটেছে। কিন্তু অভ্যুত্থানের সফলতার পর আমাদের কাছে যেটি বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে তা হলো, আন্দোলনের এই সাফল্য আমাদের সামনে যে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুযোগ উন্মুক্ত করেছে, কীভাবে আমরা সে সম্ভাবনাকে কাজে লাগাব? কীভাবে আমরা একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়ে তুলব? এই বইয়ে সংকলিত প্রবন্ধগুলোতে সে প্রশ্নেরই উত্তর খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে। লেখক যাকে বলেছেন রাষ্ট্র সংস্কারের আবেগ ও আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবসম্মত ও কাঠামোগত রূপ দেওয়ার প্রয়াস। দুটি ভাগে বিন্যস্ত বইয়ের প্রবন্ধগুলোর প্রথম ভাগে লেখক ‘গণতন্ত্র’ আর দ্বিতীয় ভাগে ‘সংস্কার’ নিয়ে আলোচনা করেছেন। লেখকের কাছে গণতন্ত্রের অর্থ একটি সত্যিকার জনপ্রতিনিধিত্বশীল শাসনকাঠোমো, যেখানে ক্ষমতার কেন্দ্রীভূত ও একচেটিয়া আধিপত্য থাকবে না, জাতীয় স্বার্থ ও সামাজিক নিরাপত্তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। আর সংস্কার বলতে তিনি বোঝেন জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে ও ধাপে ধাপে তার বাস্তবায়ন। লেখকের আশা, দুটি বিষয়েই এই বইয়ের প্রবন্ধগুলো যাকে বলে রোডম্যাপ হিসেবে কাজ করবে।
Reviews
There are no reviews yet.