Description
বিষয়টা তো চিন্তার নয়, দুশ্চিন্তারই! কথা না বাড়িয়ে পদ-পদবিহীন আমজনতা বন্ধু ফোন রেখে দিলেন। সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার আগে বিড়বিড় করে বলা তার ‘মূর্খ অধ্যাপক’ বিদ্রুপটা কান এড়াল না সিজুল হাসনাতের। এড়াবেইবা কেন, অল্প ক’বছরের মধ্যেই তিনি হতে যাচ্ছেন সিজুল হাসনাত পিএইচডি। নামের আগে সম্মানসূচক ড. বসাতে পারা কি চাট্টিখানি ব্যাপার? এই দেশের ক’টা স্কুলশিক্ষক ড. এর নাগাল পেয়েছে বা পাবে? নাদান লোকজন এসব বোঝে না, জানেও না। এরা শিক্ষক চেনে, সম্মান (অনার্স ক্লাস নয়) চেনে না। অবশ্য পাস কোর্সে যেনতেনভাবে পাস করলে এমন অবস্থাই হয়। মাথায় রাগ চড়লেও হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হননি সাদেক মাদবর। কারণ জানতে চেয়ে বন্ধু আবার কল করলে ঠিকই কথা ঘুরিয়ে জবাব দেবেন–মূর্খ অধ্যাপক বলেননি, বলেছেন মুখ্য অধ্যাপক। যে অধ্যাপকের সম্মান ভিসির কাছাকাছি! সিজুল হাসনাত জানেন, আজকাল মানুষের রোগ-ব্যারাম বেশ বেড়েছে। শারীরিক-মানসিক সব ধরনের রোগকেই মোকাবিলা করতে হচ্ছে। মানসিক রোগীর সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়। তার এই বন্ধুও একধরনের মানসিক রোগী। নিজের বন্ধুর সাফল্যকে উদ্যাপন করতে পারে না। পদ না লিখে পদবি দমিয়ে রাখার চেষ্টা করে।
Reviews
There are no reviews yet.