oboruddho nishit

অবরুদ্ধ নিশীথ

Original price was: ৳ 1,320.00.Current price is: ৳ 990.00.

oboruddho nishit

অবরুদ্ধ নিশীথ

Original price was: ৳ 1,320.00.Current price is: ৳ 990.00.

বইয়ের বিবরণ

Description

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ তখন টালমাতাল, অস্থির। সে সময় দিনাজপুর হাবিপ্রবি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে এক অঘটন ঘটল। সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী মাহেজাবিণ আরমিণ অন্তূ সিনিয়রের এগিয়ে দেয়া সিগারেট পায়ে পিষে দিল। সে তখন জানে না, তার সিনিয়র জেলা-ছাত্রলীগের জেনারেল সেক্রেটারি। এই ক্ষুদ্র প্রতিবাদ তাকে ক্রমশ এগিয়ে দেয় এক অনিশ্চিত পরিণতির দিকে। পথে সে একটি সমাজ, বাঁধনহারা মানুষের কাফেলা ও একটি রাজনীতি দেখে। যে নীতির সবচেয়ে বড় নীতি হলো, এখানে কোনো নীতি নেই।
অন্তূ আইনজীবী হতে চায়; অন্তূ থেকে অ্যাডভোকেট মাহেজাবিণ হওয়ার পথে তাকে হারাতে হয় সমাজে সম্ভ্রম, ছেড়ে দিতে হয় আব্বুর হাত, এরপর হারানোর এই প্রবাহ থামার নয়। আব্বুকে ছাড়া রাস্তা পার হতে না জানা অন্তূকে একা পেরিয়ে যেতে হয় জীবনের অন্ধ-গলি, প্রভাবশালীদের থাবা। এই পথে কিছুদূর এগিয়ে সে আবিষ্কার করে এক কৃষ্ণগহ্বর। যেখানে আলো, সময়, নীতি সব বিলীন। সেই গহ্বরে প্রবেশ করে সে দেখতে পায় সময়ের এলোমেলো ঝড়–১৯৭১-এর রক্ত, ১৯৭৫-এর মতাদর্শ, ১৯৮৭-এ জন্ম নেয়া এক শিশুর পাপীষ্ঠ হয়ে তার সামনে বসার গল্পে আরও কতক সময়ের অস্থির আবর্তন।
এই উপাখ্যান অন্তূর নয়, কোনো একক চরিত্রের নয়। অসংখ্য চরিত্র ও তাদের প্রত্যেকের সতন্ত্র ধ্বংসপ্রাপ্তির ধারায় তরান্বিত হয়ে ছে একেকটি অবরুদ্ধ নিশীথ। নিশীথের অন্ধকার, রাজনীতি-অবরোধ এবং আইনও এখানকার এক টুকরো ক্ষুধার্ত চরিত্র। অন্তূ সমাজকে একটি সাদা পায়রার খোলা ডানা হিসেবে দেখতে চায়। আইনজীবী হয়ে মজলুমকে বিচার ও জালিমকে দণ্ড দিতে চায়। তবে যখন মজলুম ও জালিম আলাদা-দুজন নয়, সেই একজনের প্রাপ্য কী? বিচার না দণ্ড–এমন বহু প্রশ্ন, পতন-উত্থানের আখ্যান অবরুদ্ধ নিশীথ!

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “অবরুদ্ধ নিশীথ”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Description

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ তখন টালমাতাল, অস্থির। সে সময় দিনাজপুর হাবিপ্রবি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে এক অঘটন ঘটল। সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী মাহেজাবিণ আরমিণ অন্তূ সিনিয়রের এগিয়ে দেয়া সিগারেট পায়ে পিষে দিল। সে তখন জানে না, তার সিনিয়র জেলা-ছাত্রলীগের জেনারেল সেক্রেটারি। এই ক্ষুদ্র প্রতিবাদ তাকে ক্রমশ এগিয়ে দেয় এক অনিশ্চিত পরিণতির দিকে। পথে সে একটি সমাজ, বাঁধনহারা মানুষের কাফেলা ও একটি রাজনীতি দেখে। যে নীতির সবচেয়ে বড় নীতি হলো, এখানে কোনো নীতি নেই।
অন্তূ আইনজীবী হতে চায়; অন্তূ থেকে অ্যাডভোকেট মাহেজাবিণ হওয়ার পথে তাকে হারাতে হয় সমাজে সম্ভ্রম, ছেড়ে দিতে হয় আব্বুর হাত, এরপর হারানোর এই প্রবাহ থামার নয়। আব্বুকে ছাড়া রাস্তা পার হতে না জানা অন্তূকে একা পেরিয়ে যেতে হয় জীবনের অন্ধ-গলি, প্রভাবশালীদের থাবা। এই পথে কিছুদূর এগিয়ে সে আবিষ্কার করে এক কৃষ্ণগহ্বর। যেখানে আলো, সময়, নীতি সব বিলীন। সেই গহ্বরে প্রবেশ করে সে দেখতে পায় সময়ের এলোমেলো ঝড়–১৯৭১-এর রক্ত, ১৯৭৫-এর মতাদর্শ, ১৯৮৭-এ জন্ম নেয়া এক শিশুর পাপীষ্ঠ হয়ে তার সামনে বসার গল্পে আরও কতক সময়ের অস্থির আবর্তন।
এই উপাখ্যান অন্তূর নয়, কোনো একক চরিত্রের নয়। অসংখ্য চরিত্র ও তাদের প্রত্যেকের সতন্ত্র ধ্বংসপ্রাপ্তির ধারায় তরান্বিত হয়ে ছে একেকটি অবরুদ্ধ নিশীথ। নিশীথের অন্ধকার, রাজনীতি-অবরোধ এবং আইনও এখানকার এক টুকরো ক্ষুধার্ত চরিত্র। অন্তূ সমাজকে একটি সাদা পায়রার খোলা ডানা হিসেবে দেখতে চায়। আইনজীবী হয়ে মজলুমকে বিচার ও জালিমকে দণ্ড দিতে চায়। তবে যখন মজলুম ও জালিম আলাদা-দুজন নয়, সেই একজনের প্রাপ্য কী? বিচার না দণ্ড–এমন বহু প্রশ্ন, পতন-উত্থানের আখ্যান অবরুদ্ধ নিশীথ!

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “অবরুদ্ধ নিশীথ”

Your email address will not be published. Required fields are marked *